কন্যার স্তনজোড়ার পুষ্ট নরম মাংস নিবিড়ভাবে ডলতে ডলতে বেশ অনেকক্ষণ সময় কাটানোর পর এবার হঠাত দুহাতের তালু ও সবকটা আঙুল দিয়ে তিনি স্তন গ্রন্থি দুটি চেপে ধরেন| তারপর রিক্সার হর্ন টেপার ভঙ্গিতে চাপ দিতে শুরু করেন| ক্রমশ তাঁর টেপার গতি বাড়তে থাকে| একসময় তিনি কন্যার নরম ঢিবি দুটি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে টিপতে থাকেন|
“আহ!” চোখ বুজে শালিনী অস্থিরভাবে পিঠ বেঁকিয়ে ওঠে তার স্তনদুটি নিয়ে পিতার এহেন অত্যাচারে, নাছোড়বান্দার মতো টিপছেন তিনি শালিনীর স্তনদুটি| সারাদিনের জমে থাকা ইচ্ছা আশ মিটিয়ে যেন মেটাচ্ছেন! বুকের দুটি মাংসখন্ডকে জ্বলন্ত অগ্নিপিন্ডের মতো লাগতে শুরু করেছে শালিনীর এবার! সে এবার আর নিষ্ক্রিয় না থেকে নিজের এমন যন্ত্রনাদায়ক অবস্থার উন্নতি করার জন্য মাথা তুলে দেয়ালে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে আদূরেভাবে বলে “বাপ্পি, মা এসে পড়বে আর কিছুক্ষণের মধ্যেই! আমায় করবে নাতো?”
-“উম্ম্ম্হ..” দীর্ঘশ্বাস ফেলে দুহিতার উগ্র নগ্ন স্তন দুটি মুষ্টিমুক্ত করে সে দুটির মাঝে মুখ রেখে ওকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে বাচ্চা ছেলের মতো আদূরে ভাবে রজতবাবু বলেন “উমমম.. কিন্তু আমার তো এখনো এই কবুতর দুটো চাখাই হলো না!”
-“উফ.. অতক্ষণ টিপবে, টিপে মুচড়ে মেরেই ফেলেছ ওদেরকে! মা আসলে না হয় তখন চেখ! মাকে দেখিয়ে দেখিয়ে!” শালিনী নরমভাবে বলে পিতার মাথায় হাত বুলিয়ে| গলায় চাপা, উদ্গত হাসি নিয়ে| “দুষ্টু মেয়ে আমার” রজতবাবু শালিনীর দুটি স্তনাগ্রে পরপর চুমু খেয়ে তীক্ষ্ণ অত্যাচারিত বোঁটাদুটি পরপর একবার করে চুষে ও কামড়ে নিয়ে উঠে পড়ে এবার ওর কোমর থেকে ওড়না, সালোয়ার, কামিজ সব খুলে ফেলে ওকে নগ্ন করেন| “উমমম” শালিনী আদূরেভাবে উল্টে গিয়ে উপুড় হয়ে শোয়| সুঠাম ফর্সা দুটি নিতম্ব উঁচু হয়ে থাকে “তারাতারি করো বাপ্পি! উমমম…” সে গুমরে| নিতম্বে উঁচু করে তোলে সামান্য… “হমমম..” রজত পাজামার দড়ি খুলে নিজের শক্ত মোটা পুরুষাঙ্গটি বার করে আনেন,..কন্যার উপুড় হওয়া শরীরের উপর উঠে আসেন| তারপর লোভ সামলাতে না পেরে উঁচু হয়ে থাকা ফর্সা দুটি নগ্ন নিতম্বে অপাঙ্গ নিজের পুরুষাঙ্গটি বোলাতে থাকেন তিনি, তারপর ডলতে থাকেন নিজের শক্ত দন্ড ওর নরম তুলতুলে নিতম্ব জোড়ায়, আরামে শির শিরিয়ে উঠে ঘরঘর করে ওঠেন তিনি! “উমমমম..” ভীষণ আদূরে স্বরে গুমরে উঠে শালিনী নিজের নরম ফর্সা নিতম্বে পিতার রগড়াতে থাকা পুরুষাঙ্গে নিতম্ব আরও ঠেলে ওঠে “কি হচ্ছে বাপ্পিইই… ঢোকাও না আ আ… মা এসে পড়..অআউউউউউহহহহঃ!!!” কন্যার কথা শেষ হবার আগেই নিতম্বের খাঁজ বরাবর নেমে ওর উত্তপ্ত যোনির মধ্যে এক ধাক্কায় পুরুষাঙ্গ ঢুকিয়ে দিতে ভীষণ শীত্কার করে ওঠে মেয়েটি দীর্ঘ প্লুতস্বরে| “অহাহঃ… আআআহঃ..” কন্যার অত্যন্ত চাপ, নরম-উত্তপ্ত যোনির সংক্ষিপ্ত অলিন্দের মধ্যে নিজের পুরুষাঙ্গ আমূল ঢুকিয়ে রজতবাবু পরম আবেশে গলতে গলতে ওর নগ্ন শরীরটির উপর শুয়ে জড়িয়ে ধরেন ওকে|
-“উউঅঃ,,,মম” গুমরিয়ে ওঠে শালিনী “বাপ্পিইইই..”
-“হ্র্ম্ম্ম” নিবিড় আরামে মন্থন করতে থাকেন এবার রজত দুহিতার একুশ বছরের নরম তনুটি|
এত আরাম ও সুখ সত্ত্বেও তাঁর মনে দীর্ঘশ্বাস পড়ে| শুধু স্তন দুটি নয়, শালিনীর অপূর্ব শরীরের সবকিছু এমনই সময় নিয়ে উপভোগ করতে চান তিনি,.. কিন্তু সময় বাধ সাধে| শালিনীর নরম ঘাড়ে মুখ গুঁজে ওর চুলের সুগন্ধি ঘ্রাণ টানতে টানতে, ওর উত্তপ্ত আঁটো যোনির অভ্যন্তরে লিঙ্গ ঠাসতে ঠাসতে অর্ নরম-উত্তপ্ত নগ্নতনুটি নিজের ভারী শরীরের তলায় পিষ্ট করে করে ওকে মন্থন করতে করতে আপাতত সুখের সাগরে তরী বাইতে থাকেন তিনি|
(সমাপ্ত)

Comments
Post a Comment